এয়ার কম্প্রেরের যাবতীয় সমস্য এবং সমাধানের উপায় I Air compressor troubleshooting tips

Air compressor troubleshooting tips
এয়ার কম্প্রেসর হচ্ছে একটি মুল্যবান সম্পদ এবং একটি জটিল মেশিন। যখন এয়ার কম্প্রেসর এ সমস্য হয় তখন বোঝা বেশ কঠিন হয়ে পড়ে। এটি যে কোনো কোম্পানির জন্য একটি উল্লেখযোগ্য বিনিয়োগ এবং এটি পরিচালনা বেশ জটিল। যখন সমস্য তৈরি হয় তখন এটা জানা অবশ্যই জরুরী যে এখন আসলে কিভাবে সমাধান করা যায়। Air compressor troubleshooting tips

এয়ার কম্প্রেসার সমস্যা সমাধানের জন্য প্রয়োজনীয় টিপস

অতিরিক্ত শব্দঃ কম্প্রেসর অসাভাবিক শব্দ করে যখন এটি অপারেশনে থাকে। এছাড়া এটার আরো একটা কারন হতে পারে লুজ পুলি, ফ্লাইহুইল বেল্ট, কুলার অথবা একসেসোরিস এর কারনে এবং এগুলা টাইট দিলে সমস্য কিছুটা সমাধান হতে পারে। ক্র্যাংকশ্যফট এ তেল দিয়ে অথবা বিয়ারিনং ভাংগা আছে কিনা সেটাও চেক দিয়ে দেখা যেতে পারে। মেঝে বা ফ্লোরে যদি কোন মাউন্টিং লুজ থাকলে সেগুলা টাইট দিতে হবে এবং ভাইব্রেশন প্যাড পরিবর্তন করেও এই ধরনের সমস্য সমাধান করা যেতে পারে।

লো প্রেসারঃ যদি লক্ষ্য করা যায় তুলনামুলক কম প্রেসার তৈরি হচ্ছে সেট প্রেসার বা প্রয়োজনের তুলনায় তবে বুঝতে হবে যে এয়ার কম্প্রেসরে বিভিন্ন যন্ত্রাংশ বা পার্টস এ লিকেজ আছে, পার্টস লুজ আছে তাছাড়াও অনান্য কারনও থাকতে পারে। এরপর লিকেজ এবং পাইপের বাধাগ্রস্ত জায়গাগুলো চেক দিতে হবে, ফিল্টারে প্রবলেম থাকলে রিপিয়ারিং,ক্লিন অথবা পরিবর্তন করতে হবে। এই সমস্যগুলোর কারনে অতিরিক্ত এয়ার এর প্রয়োজন হয় কারন এতে লো প্রেসার হয়ে থাকে।

এয়ার ইনলেট ভাল্বঃ এয়ার ইনলেট ভাল্ব দিয়ে যদি বাতাস বের হয় তবে বুঝতে হবে প্রথম ধাপে এয়ার ইনলেট ভাল্ব এ ভাংগা আছে। এই ক্ষেত্রে ভাল্ব এসেম্বলি পরিবর্তন করতে হবে।

বেল্ট অতিরিক্ত টাইটঃ অতিরিক্ত বেল্ট টাইটের জন্য বিভিন্ন সমস্য হতে পারে যার মধ্যে পুলির এলাইনমেন্ট নষ্ট হতে পারে তাই এটা পুনরায় এলাইনমেন্ট করতে হবে কম্প্রেসর ফ্লাই হুইল এর সাথে। যদি বেল্ট খুব লুজ বা টাইট থাকে তাহলে টেনশন ঠিক করতে হবে। এছাড়া যদি পুলি লুজ থাকলে তা ঠিক করতে হবে। Air compressor troubleshooting tips

অতিরিক্ত তেল অপচয়ঃ অতিরিক্ত তেল খরচের জন্য এক বা একাধিক কারন থাকতে পারে। এছাড়া গ্যাসকেট লিকজে হলে সেগুলার বোল্ট টাইট দিতে হবে অথবা গ্যাস্কেট পরিবর্তন করতে হবে। পিস্টন রিং প্রয়োজনে পাল্টাতে হবে যদি সমস্য থাকে বা কোন ড্যমেজ বোঝা যায়।

সঠিক ভিস্কোসিটিও অতিরিক্ত তেল অপচয়ের আরো একটি কারন। যদি ভিসকোসিটি ঠিক না থাকে তবে ওয়েল ড্রেন করে সঠিক ভিসকোসিটির ওয়েল দিতে হবে। কম্প্রেসর এর যদি লেভেল না থাকে তবে এটাকে লেভেল করতে হবে। এছাড়া সিলিন্ডার লাইনারে কোন সমস্য থাকলে পরিবর্তন করতে হবে।

বাতাসে অতিরিক্ত আর্দ্রতাঃ যদি কম্প্রেসর ট্যাংকে পানি থাকে তবে সিস্টেমকে বন্ধ করে প্রেসার কমিয়ে পানি ড্রেইন দিতে হবে। এই সমস্যার কারনে এয়ার ড্রায়ার অথবা এয়ার ফিল্টার স্থাপন করতে হবে। এছাড়াও আরো অনেক উপায় আছে কম্প্রেসড এয়ার হতে আদ্রতা দূর করার।

কম্প্রেসরে ভাইব্রেশনঃ যদি কম্প্রেসর প্রতিনিয়ত ভাইব্রেশন করে তবে কম্প্রেসরের মাউন্টিং বোল্টগুলা লুজ হয়ে যাবে। এই ধরনের প্রবলেম এ মাউন্টিং নাট বোল্ট টাইট দিতে হবে এবং ভাইব্রেশন প্যাড ইন্সটল করতে হবে এতে কম্প্রেসরের ভাইব্রেশন কমে যাবে।

কম্প্রেসর বন্ধ থাকা অবস্থায় রিসিভার এ প্রেসার না থাকাঃ এখানে চেক ভাল্ব সমস্য একটা কারন হতে পারে। এই অবস্থায় ট্যাংক খালি করে চেক ভাল্ব পরিস্কার বা পরিবর্তন করে এই ধরনের সমস্য সমাধান করা যায়। Air compressor maintenance tips

কম্প্রেসর চালুন না হওয়াঃ এটা পাওয়ার সংযোগ মিসিং এর কারনেও হয়। এই অবস্থায় নতুন কোন পাওয়ার সোর্সে সংযোগ দিতে হবে। এছাড়া আনলোডার ভাল্ব খারাপ হলেও কম্প্রেসর চালু হয় না। এমতাবস্থায় আনলোডার ভাল্ব পরিবর্তন করে দিতে হবে।

ত্রুটিযুক্ত ফিউজঃ ফিউজে সঠিক এম্পিয়ার এবং রেটিং ঠিক আছে কিনা সেটা দেখতে হবে। ত্রুটি দেখা দিলে পরিবর্তন করে দিতে হবে। এছাড়াও লো ভোল্টেজে এবং চেক ভাল্ব এবং ডিফেক্টিব আনলোডার এর কারনেও কম্প্রেসরে প্রবলেম হয়। এগুলা চেক দিতে হবে এবং ভাল পার্টস ব্যবহার করতে হবে। Air compressor troubleshooting 

0/Post a Comment/Comments

Previous Post Next Post